শিশু-কিশোরদের ক্ষতিকর কনটেন্টের বিরুদ্ধে এখনই অভিযোগ করুন

লিংক দিন, কয়েক সেকেন্ডে অভিযোগ জমা দিন, নাম-পরিচয় গোপন রাখার নিশ্চয়তাসহ।

দ্রুত অভিযোগ করুন

আপনার অভিযোগটি জমা হয়েছে!
আপনার তথ্য সুরক্ষিত রাখা হবে এবং শুধুমাত্র পর্যালোচনার কাজে ব্যবহৃত হবে।

শিশু-কিশোরদের ক্ষতিকর কনটেন্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ করুন, শিশু-কিশোরদের নিরাপদ রাখুন

ফেসবুক, ইউটিউব বা যেকোনো ওয়েবসাইটে হয়রানিমূলক, যৌন হেনস্তামূলক বা ক্ষতিকর কনটেন্ট চোখে পড়লে তার লিংক জমা দিন। সবার জন্য একটি নিরাপদ ইন্টারনেট গড়তে সহযোগিতা করুন।

৩,৪১৮মোট অভিযোগ
৯২১সমাধান হয়েছে

আপনার মূল্যবান চিন্তা

আপনাদের মতামত

মানুষ কী ভাবছে এই উদ্যোগ নিয়ে, তাদের নিজের ভাষায়।

সচেতনতামূলক বক্তব্য

Your Voice Matters

উন্মুক্ত চিঠি

শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের অনলাইন নিরাপত্তার জন্য আহ্বান

সম্মানিত নীতি-নির্ধারক,

আমরা, নিরাপদ ইন্টারনেট চাওয়া বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিকরা, প্রতিদিন ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে হয়রানিমূলক, যৌন হেনস্তামূলক এবং সহিংসতা-প্ররোচনামূলক কনটেন্টের মুখোমুখি হচ্ছি। এই কনটেন্টগুলোর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের ওপর, যারা প্রতিদিনই ইন্টারনেট ব্যবহার করছে অথচ নিজেদের রক্ষা করার মতো পর্যাপ্ত সচেতনতা বা মাধ্যম তাদের হাতে নেই।

বর্তমানে ক্ষতিকর কনটেন্ট শনাক্ত হওয়ার পর তা দ্রুত পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো সুসংগঠিত কোনো জাতীয় ব্যবস্থা নেই। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তার পরিবার অনেক সময় জানেই না কোথায়, কীভাবে অভিযোগ জানাবে। ততক্ষণে কনটেন্টটি ছড়িয়ে পড়ে অনেক বেশি ক্ষতি করে ফেলে।

আমরা কী চাই

  • ক্ষতিকর অনলাইন কনটেন্ট অভিযোগ করার জন্য একটি একক, সহজলভ্য ও দ্রুত-সাড়াদানকারী জাতীয় ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা।
  • প্ল্যাটফর্ম, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা, যাতে জেলা-উপজেলা পর্যায় থেকেও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
  • অভিযোগকারীর পরিচয় গোপন রাখার নিশ্চয়তা, যাতে ভয় ছাড়াই মানুষ অভিযোগ জানাতে পারে।
  • শিশু-কিশোরদের জন্য স্কুলপর্যায়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা ও সচেতনতামূলক শিক্ষা কার্যক্রম বাধ্যতামূলক করা।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ ধরনের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে হাজারো শিশুর জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশেও এখনই এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা জরুরি।

বিনীত নিবেদক,

নিরাপদ ইন্টারনেট আন্দোলন, Twimbol এবং সহযাত্রী নাগরিকবৃন্দ

যাদের সহযোগিতায় এই উদ্যোগ