লিংক দিন, কয়েক সেকেন্ডে অভিযোগ জমা দিন, নাম-পরিচয় গোপন রাখার নিশ্চয়তাসহ।
ফেসবুক, ইউটিউব বা যেকোনো ওয়েবসাইটে হয়রানিমূলক, যৌন হেনস্তামূলক বা ক্ষতিকর কনটেন্ট চোখে পড়লে তার লিংক জমা দিন। সবার জন্য একটি নিরাপদ ইন্টারনেট গড়তে সহযোগিতা করুন।
আপনার মূল্যবান চিন্তা
মানুষ কী ভাবছে এই উদ্যোগ নিয়ে, তাদের নিজের ভাষায়।
সচেতনতামূলক বক্তব্য
উন্মুক্ত চিঠি
সম্মানিত নীতি-নির্ধারক,
আমরা, নিরাপদ ইন্টারনেট চাওয়া বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিকরা, প্রতিদিন ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে হয়রানিমূলক, যৌন হেনস্তামূলক এবং সহিংসতা-প্ররোচনামূলক কনটেন্টের মুখোমুখি হচ্ছি। এই কনটেন্টগুলোর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের ওপর, যারা প্রতিদিনই ইন্টারনেট ব্যবহার করছে অথচ নিজেদের রক্ষা করার মতো পর্যাপ্ত সচেতনতা বা মাধ্যম তাদের হাতে নেই।
বর্তমানে ক্ষতিকর কনটেন্ট শনাক্ত হওয়ার পর তা দ্রুত পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো সুসংগঠিত কোনো জাতীয় ব্যবস্থা নেই। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তার পরিবার অনেক সময় জানেই না কোথায়, কীভাবে অভিযোগ জানাবে। ততক্ষণে কনটেন্টটি ছড়িয়ে পড়ে অনেক বেশি ক্ষতি করে ফেলে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ ধরনের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে হাজারো শিশুর জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশেও এখনই এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা জরুরি।
বিনীত নিবেদক,
নিরাপদ ইন্টারনেট আন্দোলন, Twimbol এবং সহযাত্রী নাগরিকবৃন্দযাদের সহযোগিতায় এই উদ্যোগ